ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৩ জনের মৃত্যু ১৪ বছর পর রায় ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতাকে হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড আ’লীগ নেতা ও সরকারী কর্মকর্তা মিলে ১২ লাখ টাকা গিলে খেলেন বোয়ালমারীতে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ ও বরাদ্দ দিয়ে ১২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আইনজীবী হত্যার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সদরপুরে হাতির আক্রমণে ১০ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু, মাহুত আটক চার বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে যা বললেন জেনিফার লোপেজ ঢাকায় টিসিবির পণ্য বিক্রির সময় হঠাৎ দেয়াল ধসে নিহত ২ মধুখালীতে মৎস্য আইন বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, অভিযানে নেতৃত্ব দিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফরিদপুর চিনিকলে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন পূবালী ব্যাংক পিএলসি মধুখালী শাখার আয়োজনে ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সবুজ সনদ পেল আরো ৪ কারখানা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৫:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ৪৬ Time View
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ধারাবাহিকতায় আরো চারটি কারখানা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সবুজ ভবন সনদ অর্জন করেছে। এ নিয়ে দেশে সবুজ সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার সংখ্যা এখন ২৯০টি।এর মধ্যে ১২৫টি প্লাটিনাম, ১৪৫টি গোল্ড, আর বাকিগুলো সিলভার ও সার্টিফায়েড পর্যায়ে রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বের সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শীর্ষ ১০০ সবুজ কারখানার মধ্যে বাংলাদেশের কারখানার সংখ্যা বেড়ে ৫৩টিতে দাঁড়িয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তৈরি পোশাক খাতে শিশু সংগঠন বিজিএমই এ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নতুন সনদপ্রাপ্ত চারটি কারখানার মধ্যে দুটি প্লাটিনাম, একটি গোল্ড এবং একটি সিলভার মান অর্জন করেছে।

চট্টগ্রামের নর্থ নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ক্যানভাস গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড বিদ্যমান ভবন পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংস্করণ ৪.১ মানদণ্ডে ৯০ নম্বর পেয়ে প্লাটিনাম সনদ অর্জন করেছে। একই মানদণ্ডে গাজীপুরের চয়দানা এলাকার ম্যাট্রিক্স সোয়েটার্স লিমিটেড ৮৮ নম্বর পেয়ে প্লাটিনাম সনদ লাভ করেছে।অন্যদিকে, গাজীপুরের কালিয়াকৈরের করিম টেক্সটাইলস লিমিটেড ৭৩ নম্বর পেয়ে গোল্ড সনদ অর্জন করেছে। ঢাকার ধামরাইয়ের করিম টেক্স লিমিটেড ৫৩ নম্বর পেয়ে সিলভার সনদ লাভ করেছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যে এখন শুধু প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নয়, পরিবেশবান্ধব উৎপাদনও ক্রেতাদের অন্যতম প্রধান শর্তে পরিণত হয়েছে। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বড় বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো কারখানার জ্বালানি দক্ষতা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, পানির সাশ্রয়ী ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

গত এক দশকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে সবুজ বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার কারণে দেশের কারখানাগুলো ধারাবাহিকভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করছে।

শিল্প উদ্যোক্তাদের মতে, সবুজ সনদ শুধু পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি নয়; এটি আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায় এবং বড় ব্র্যান্ডগুলোর কাছে আস্থা তৈরি করে।একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার কমিয়ে উৎপাদন ব্যয়ও হ্রাস করে, যা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা এনে দেয়।

 

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সবুজ সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানা বাংলাদেশে অবস্থিত। বিশ্বের শীর্ষ ১০০ সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত সবুজ কারখানার মধ্যে ৫৩টি বাংলাদেশের হওয়া দেশের টেকসই শিল্পায়নের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

খাতসংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির সক্ষমতা আরো বাড়াবে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৩ জনের মৃত্যু

সবুজ সনদ পেল আরো ৪ কারখানা

Update Time : ০৮:২৫:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ধারাবাহিকতায় আরো চারটি কারখানা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সবুজ ভবন সনদ অর্জন করেছে। এ নিয়ে দেশে সবুজ সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার সংখ্যা এখন ২৯০টি।এর মধ্যে ১২৫টি প্লাটিনাম, ১৪৫টি গোল্ড, আর বাকিগুলো সিলভার ও সার্টিফায়েড পর্যায়ে রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বের সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শীর্ষ ১০০ সবুজ কারখানার মধ্যে বাংলাদেশের কারখানার সংখ্যা বেড়ে ৫৩টিতে দাঁড়িয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তৈরি পোশাক খাতে শিশু সংগঠন বিজিএমই এ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নতুন সনদপ্রাপ্ত চারটি কারখানার মধ্যে দুটি প্লাটিনাম, একটি গোল্ড এবং একটি সিলভার মান অর্জন করেছে।

চট্টগ্রামের নর্থ নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ক্যানভাস গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড বিদ্যমান ভবন পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংস্করণ ৪.১ মানদণ্ডে ৯০ নম্বর পেয়ে প্লাটিনাম সনদ অর্জন করেছে। একই মানদণ্ডে গাজীপুরের চয়দানা এলাকার ম্যাট্রিক্স সোয়েটার্স লিমিটেড ৮৮ নম্বর পেয়ে প্লাটিনাম সনদ লাভ করেছে।অন্যদিকে, গাজীপুরের কালিয়াকৈরের করিম টেক্সটাইলস লিমিটেড ৭৩ নম্বর পেয়ে গোল্ড সনদ অর্জন করেছে। ঢাকার ধামরাইয়ের করিম টেক্স লিমিটেড ৫৩ নম্বর পেয়ে সিলভার সনদ লাভ করেছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যে এখন শুধু প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নয়, পরিবেশবান্ধব উৎপাদনও ক্রেতাদের অন্যতম প্রধান শর্তে পরিণত হয়েছে। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বড় বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো কারখানার জ্বালানি দক্ষতা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, পানির সাশ্রয়ী ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

গত এক দশকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে সবুজ বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার কারণে দেশের কারখানাগুলো ধারাবাহিকভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করছে।

শিল্প উদ্যোক্তাদের মতে, সবুজ সনদ শুধু পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি নয়; এটি আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায় এবং বড় ব্র্যান্ডগুলোর কাছে আস্থা তৈরি করে।একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার কমিয়ে উৎপাদন ব্যয়ও হ্রাস করে, যা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা এনে দেয়।

 

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সবুজ সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানা বাংলাদেশে অবস্থিত। বিশ্বের শীর্ষ ১০০ সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত সবুজ কারখানার মধ্যে ৫৩টি বাংলাদেশের হওয়া দেশের টেকসই শিল্পায়নের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

খাতসংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির সক্ষমতা আরো বাড়াবে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করবে।