ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মধুখালীতে কলেজ খোলা, কিন্তু শিক্ষক শূন্য শ্রেণিকক্ষ! মেগচামী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্ষোভ, কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ইউএনও’র মধুখালীর গোন্দারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত মধুখালীর ‘কবিতা ক্লিনিক’-এ চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ: মালিককে ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা মধুখালীতে উচ্চ মাধ্যমিক, কারিগরি ও আলিম পরীক্ষায় পাশের হার ৩৫.১৫%, দুই প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ মধুখালীতে উপজেলা যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: বৃক্ষরোপণ,খাবার বিতরণ ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি ফরিদপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে অগ্নিকান্ডে ৭টি পাটের গুদাম ভষ্মিভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় দুই কোটি টাকা বাবার শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে দিলো না সন্তান! যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার দাফন নিয়ে ভাইবোনদের বিরোধ মধুখালীতে পানির গর্তে পড়ে ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অবসর ভাতার পরিকল্পনা করছে সরকার – মধুখালীতে হুইপ রুহুল কুদ্দুস দুলু এমপি

হারানো মোবাইল উদ্ধারে মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, উদ্ধার ৬২টি

হারানো, চুরি ও ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন ফরিদপুরের মধুখালী থানার এএসআই (নিঃ) মোঃ শরীফুল ইসলাম। দায়িত্ব পালনকালে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৬২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন তিনি।

সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে প্রযুক্তির সহায়তায় এসব মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করে উদ্ধার করেন এএসআই শরীফুল ইসলাম। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের হাতে তাদের হারানো মোবাইল ফোন তুলে দেওয়া হয়।

এএসআই শরীফুল ইসলামের এ উদ্যোগে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেক ভুক্তভোগী। সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারে তার আন্তরিকতা ও পরিশ্রম প্রশংসা কুড়িয়েছে।

কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন সময়ে জেলার শ্রেষ্ঠ এএসআই এবং জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হিসেবে পদকপ্রাপ্ত হয়েছেন এএসআই (নিঃ) মোঃ শরীফুল ইসলাম।

হারানো মোবাইল উদ্ধারের বিষয়ে এএসআই শরীফুল ইসলাম বলেন, “হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে পৌঁছে দেওয়াকে আমি আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য মনে করি। একজন মানুষ তার হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেলে যে আনন্দ পান, তা দেখে আমারও অনেক ভালো লাগে। তাই সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।”

এ বিষয়ে মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকদেব রায় বলেন, “এএসআই মোঃ শরীফুল ইসলাম অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশেষ করে মোবাইল ফোন উদ্ধারে তার কঠোর পরিশ্রম ও আন্তরিকতা প্রশংসনীয়। সাধারণ মানুষের হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে পৌঁছে দেওয়া পুলিশের জনসেবামূলক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তার এ ধরনের উদ্যোগ পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে।”

দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারে এএসআই শরীফুল ইসলামের এমন উদ্যোগ মধুখালী থানার পুলিশের জনবান্ধব কার্যক্রমের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Editorial Desk

মধুখালীতে কলেজ খোলা, কিন্তু শিক্ষক শূন্য শ্রেণিকক্ষ! মেগচামী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্ষোভ, কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ইউএনও’র

হারানো মোবাইল উদ্ধারে মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, উদ্ধার ৬২টি

Update Time : ০৮:২৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

হারানো, চুরি ও ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন ফরিদপুরের মধুখালী থানার এএসআই (নিঃ) মোঃ শরীফুল ইসলাম। দায়িত্ব পালনকালে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৬২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন তিনি।

সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে প্রযুক্তির সহায়তায় এসব মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করে উদ্ধার করেন এএসআই শরীফুল ইসলাম। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের হাতে তাদের হারানো মোবাইল ফোন তুলে দেওয়া হয়।

এএসআই শরীফুল ইসলামের এ উদ্যোগে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেক ভুক্তভোগী। সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারে তার আন্তরিকতা ও পরিশ্রম প্রশংসা কুড়িয়েছে।

কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন সময়ে জেলার শ্রেষ্ঠ এএসআই এবং জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হিসেবে পদকপ্রাপ্ত হয়েছেন এএসআই (নিঃ) মোঃ শরীফুল ইসলাম।

হারানো মোবাইল উদ্ধারের বিষয়ে এএসআই শরীফুল ইসলাম বলেন, “হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে পৌঁছে দেওয়াকে আমি আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য মনে করি। একজন মানুষ তার হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেলে যে আনন্দ পান, তা দেখে আমারও অনেক ভালো লাগে। তাই সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।”

এ বিষয়ে মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকদেব রায় বলেন, “এএসআই মোঃ শরীফুল ইসলাম অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশেষ করে মোবাইল ফোন উদ্ধারে তার কঠোর পরিশ্রম ও আন্তরিকতা প্রশংসনীয়। সাধারণ মানুষের হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে পৌঁছে দেওয়া পুলিশের জনসেবামূলক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তার এ ধরনের উদ্যোগ পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে।”

দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারে এএসআই শরীফুল ইসলামের এমন উদ্যোগ মধুখালী থানার পুলিশের জনবান্ধব কার্যক্রমের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।